তাজা খবর:

জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু : প্রধানমন্ত্রী লাইফ সাপোর্টে বারী সিদ্দিকী সশস্ত্র বাহিনী দিবসে নৌবাহিনীর জাহাজসমূহ সবার জন্য উন্মুক্ত ২১ নভেম্বর ঢাকা সেনানিবাসে যান চলাচলে বিধিনিষেধ যারাডাইস কেলেঙ্কারিতে বিএনপি নেতা মিন্টুর পরিবার আ. লীগের সমাবেশ দুপুরে, প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যু : বাংলাদেশে আসছেন জোলি Wednesday, 31 December, 1969, at 6:00 PM

ENGLISH

অর্থ ও বাণিজ্য

কাতার বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট

প্রকাশ : 27 আগস্ট 2017, রবিবার, সময় : 18:08, পঠিত 37 বার
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, কাতারে আরও জনশক্তি রফতানির সুযোগ রয়েছে। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। সেখানে কয়েক লাখ বাংলাদেশি কাজ করছে।

তিনি বলেন, কাতারে বাংলাদেশের শাক-সবজিসহ বেশকিছু পণ্য রফতানি হয়। বাংলাদেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানোর জন্য কাতার থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে এলএনজি টার্মিনালের কাজ সম্পন্ন হবে, তখন আর দেশে গ্যাসের কোনো সংকট থাকবে না।

রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত আহমেদ মোহাম্মদ আল দেহাইমির সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনসহ দেশের কল-কারখানায় প্রয়োজনীয় গ্যাস সংযোগ নেয়া সম্ভব হবে। কাতারের সঙ্গে জনশক্তি রফতানি বাদে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য খুব বেশি নয়। গত বছর বাংলাদেশ কাতারে ২৬.৪০ মিলিয়ন ইউএস ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে, একই সময় দেশটি থেকে ১৫২.২০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, কাতার বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র। কাতার বিশ্বের মধ্যে বৃহৎ এলএনজি রফতানিকারক দেশ। কাতার বিভিন্ন দেশে প্রায় ১০০ মিলিয়ন টন এলএনজি রফতানি করে থাকে। ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানি শুরু হলে বাংলাদেশের কল-কারখায় গ্যাসের সমস্যা থাকবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কাতারে আরও জনশক্তি রফতানির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুনামের সঙ্গে বাংলাদেশে জনশক্তি কাজ করে যাচ্ছে। কাতারে বাংলাদেশের শাক-সবজির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে চাহিদা মোতাবেক এগুলো রফতানি করা সম্ভব হচ্ছে না। রফতানির আগে শাক-সবজি প্রক্রিয়াকরণের পর্যাপ্ত প্লান্ট বাংলাদেশে নেই। এখাতে কাতার বিনিয়োগ করলে রফতানি বৃদ্ধি করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে কাতারের বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কাতারে বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের সংখ্যা খুবই কম। সেখানে ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, আইটি প্রোডাক্ট, হিমায়িত মাছ, চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক ও প্লাস্টিক পণ্য রফতানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধি এবং উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে কাতারে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি বৃদ্ধি করা সম্ভব।


সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




অর্থ ও বাণিজ্য পাতার আরও খবর

  • সর্বশেষ সংবাদ

    সর্বাধিক পঠিত

    সম্পাদক: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৪৫/৩, বীর উত্তম সি.আর.দত্ত রোড (ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সোনারগাঁও রোড), হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫, বাংলাদেশ।
    ফোনঃ +৮৮-০২-৯৬৬৬৬৮৫, ৯৬৭৫৮৮৫, ৯৬৬৪৮৮২-৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮০-১৯২৬৬৬৭০০২-৩
    ই-মেইল : pressbanglakhabar@gmail.com, editorbanglakhabar@gmail.com , Web : http://www.banglakhabor24.com